মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে শিলিগুড়ির উত্তরা
দি নিউজ লায়ন ; দিদিকে আবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই, যাতে আমার মতো আরও অনেক অসহায় মানুষ প্রাণ ফিরে পেতে পারে। দিদিকে বলোতে ফোন করে সরকারী খড়চে কিডনি প্রতিস্থাপন করে সুস্থ্য হয়ে ওঠার পর এ এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে শিলিগুড়ির উত্তরা। শিলিগুড়ি ৩৫নাম্বার ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুভাষ শিকদারের বড়ো মেয়ে উত্তরা শিকদারের ২০১০সাল থেকে কিডনির জটিল রোগে আক্রন্ত।
একটি কিডনি বিকল হয়ে পড়ায় ছোট দোকান বাড়ি বিক্রি করে সেই কিডনি প্রতিস্থাপন করায় মধ্যবিত্ত পরিবারটি। তবে তাতেও বিপদ কাটেনি চূড়ান্ত আর্থিক অনটনের কারনে কিডনি জটিল রোগে অসুস্থ্য বড় মেয়ে উত্তরা ওষুধপত্রের সঙ্গে সমঝোতা করতে হয়। আর যার জেরে ২০১৩সালে বড় মেয়ের শরীরে প্রতিস্থাপিত কিডনিতে পুনরায় সংক্রমন বাঁধে।
লাগাতার ডায়ালোসিস ও চিকিৎসার ভার বহন করতে গিয়ে দুই মেয়ে, স্ত্রী নিয়ে সুভাষ বাবু ভিটে টুকু বিক্রি করে ভাড়া বাড়িতে গিয়ে ঠাঁই নেন। তবে ২০১৯এ দ্বিতীয় কিডনি বিকল হয়ে পড়ায় অসহায় হয়ে পড়ে পরিবারটি। মেয়ের জীবন বাঁচানোর কোনো পথ আর খুঁজে পাচ্ছিলেন না সর্বশান্ত হয়ে পড়া পরিবারটি। অবশেষে ২০১৯এ সেপ্টেম্বরে মাসে ওয়ার্ডে দিদিকে বলো কর্মসূচি চলাকালিন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মন্ত্রী গৌতম দেবকে জানিয়ে দিদি কে বলোতে ফোন করে অসুস্থ্য উত্তরা।
উত্তর জানায় এরপর থেকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি ফোনে কলকাতা এসে মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের দপ্তরে দেখা করতে বলেন তারা। পাঁচমাসের মাথায় ৪ঠা ফেব্রুয়ারি এসএসকেএম হাসপাতালে সম্পূর্ণ নিখরচায় তার বাবা সুভাষ শিকদারের একটি কিডনি সফলতার সঙ্গে তার শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। চিকিৎসা করে সুস্থ হয়ে শিলিগুড়িতে ফিরে আসা পর্যন্ত লাগাতার দিদিকে বলো থেকে ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছেন তারা।বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ্য রয়েছেন। তিনি জানান দিদিকে কৃতজ্ঞতা জানানোর কোনো শব্দ নেই।

Post a Comment